Pages

ফ্রিলান্সিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ফ্রিলান্সিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০১৫

আউটসোর্সিং এবং ফ্রিল্যান্সিং যেভাবে করবেন।

আউটসোর্সিং এবং ফ্রিল্যান্সিং যেভাবে করবেন।

আউটসোর্সিং কি এবং কেনঃ

প্রথমেই দেখে নেয়া যাক আউটসোর্সিং এবং অফশোর আউটসোর্সিং কি এবং কেন করা হয়। আউটসোর্সিং হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেয়া। এই কাজ হতে পারে পণ্যের শুধু ডিজাইন করা অথবা সম্পুর্ণ উৎপাদন অন্য প্রতিষ্ঠান দিয়ে করিয়ে নেয়া। আউটসোর্সিং এর সিদ্ধান্ত সাধারণত নেয়া হয় উৎপাদন খরচ কমানোর জন্য। অনেক সময় পযর্াপ্ত সময়, শ্রম অথবা প্রযুক্তির অভাবও আউটসোর্সিং করা হয়।

অন্যদিকে অফশোর আউটসোর্সিং হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজ দেশে সম্পন্ন না করে ভিন্ন দেশ থেকে করিয়ে আনা। প্রধানত ইউরোপ এবং আমেরিকার ধনী দেশগুলো অফশোর আউটসোর্সিং করে থাকে যার মূল লক্ষ হচ্ছে পণ্যের গুণগত মান ঠিক রেখে কম পারিশ্রমিকের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করা। মূলত তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কাজগুলো (যমন- ডাটা প্রসেসিং, প্রোগ্রামিং , গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয় , টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইত্যাদি) অফশোর আউটসোর্সিং করা হয়। যে সকল দেশ এই ধরনের সারভিস প্রদান করে থাকে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারত, ইউক্রেইন, ব্রাজিল, আরজেন্টিনা,ইন্দোনেশিয়া, চীন, ফিলিপাইনস, রাশিয়া, পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, মিসর এবং আরো অনেক দেশ।

ফ্রিল্যান্সিং ঃ

এবার দেখে নেয়া যাক, ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কিভাবে একজন ফ্রিল্যান্সার হওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সার হল ‍এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে নিজের ইচ্চা মতো কাজ করেন। এক জন ফ্রিল্যান্সার তার ইচ্চা মত কাজ করতে পারেন যেটা তার জানা আছে। এবং সে একাজ যেকোন সময় করতে পারে যেকোন জায়গায় এটা করা যায়। আর এর জন্য আপনার যা লাগবে তা হল: ‍একটি কম্পিউটার আর একটি ইন্টানেট সংযোগ তাহলে আপনি যেকোন জায়গাতে বসে ফ্রিল্যান্সার ও আউটসোর্সিং এর কাজ করতে পারেন। সেগুলো হতে পারে ডাটা এনট্রি, ওয়েব ডিজাইন, সফটওয়্যার, ইত্যাদি।


আগামী পর্বে কিভাবে আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিং করবেন তা নিয়ে লিখব ইনশাল্লাহ

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০১৫

নিজ ওযয়বসাইট দিয়ে ‍আয়





নিজ ওযয়বসাইট দিয়ে ‍আয়



নিজ ওযয়বসাইট দিয়ে ‍আয়।

পৃথিবী এখন ছোট হয়ে ‍আসছে। ছোট হচ্চে আমাদের কাজের পরিধি। মানুষ কে তথ্য জানার জন্য এখন বিশাল বিশাল বই ঘাটতে হয়না। কয়েকটি ক্লিক করলে তথ্য জেনে নিতে পারি।
এসব সম্ভব হয়েছে ইন্টারনেট এর ফলে। ইন্টারনেটে একটি ওয়েবসাইট থাকলে ‍আপনি সারা িবশ্বের মানুষের সাথে তথ্য ‍আদান প্রদান করতে পারবেন।

তেমনি একটু মাথা খাটালেই প্রচুর আয় করতে পারবেন।
এর জন্য আপনারকে বেশি কিছু করতে হবে না। বাংলাদেশ সহ সারা িবশ্বে এমন বহু মানুষ আছে যারা শুধু ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়েই জিবিকা নির্বাহ করে। আপনিও হতে পারেন তাদের একজন।
তবে এর পিছনে আপনাকে কিছু সময় দিতে হবে।

ওয়েব সা্ইট থেকে আপনি বিভিন্ন ভাবে আয় করতে পারবেন। যেমন: আডসেন্স, আন্যন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে, ব্যানার এ্যাড ইত্যাদির মাধ্যমে। তবে সব
কিছুর জন্যই আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর ভিজিটর থাকতে হবে।



রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০১৫

ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক ও ইলান্স সম্পর্কে



freelancing


ফ্রিলান্সিং মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক ও ইলান্স সম্পর্কে

এখনও অনেকে ফ্রিলান্সিং এর কথা বলতে গেলেই oDesk এর কথা বলে। আসলে ওডেস্কে কাজ পাওয়া কতটুকু কষ্টের+সময়ের+ধৈর্যের ধরকার তা যারা একাউন্ট করেছেন তাদের ভালো করে জানা আছে। অনেকে হয়ত নিজের প্রচুর দক্ষতা অথবা ভাগ্যের কারনে সহজে কাজ পেয়ে যান। ওডেস্কের পরেই যাকে অনেক ফ্রিলান্সাররা অবস্তান দিয়ে থাকেন সেটি আর ওডেস্কের মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে দেখা যাক।

ওডেস্ক

ওডেস্ক বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। এখানে অনলাইনে কাজ করা যায় এমন সব ধরনের কাজ পাওয়া যায়। বায়াররা কাজ দেওয়ার জন্য ওডেস্ককেই বেশি প্রাধান্য দেয় বা পছন্দ করে। ওডেস্কে কতটা একাউন্ট আছে এটা বলা বাহুল্য, ওদের হুমপেইজ এ দেওয়া আছে এই মেসেজটি 1+ million businesses use oDesk for top quality talent এই মেসেজটি দেখে আপনারাই বুঝতে পারছেন এটির কি অবস্তা। ওডেস্কে ১ টি কাজে Bid পড়ে নিম্নে ১০০ এর উপরে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই থাকেন হাই রেটিং প্রোফাইল ওয়ালা। বর্তমানে ওডেস্ক কে কেন্দ্র করে অনেক অনেক গ্রুপ এবং প্রতিষ্টান গড়ে উঠেছে, তারা যেকাজে Bid করে সেখানে অন্যরা কাজ পাওয়ার আশঙ্কা একেবারেই থাকেনা।

ইলান্স>

ইলান্সকে ফ্রিলান্সাররা ওডেস্কের পরেই অবস্তান দিয়ে থাকেন। আবার অনেকেই ইলান্সকে নতুনদের জন্য পুরোপুরি উপযোগী বলে আখ্যা দেন। ইলান্সকেও অনেক বায়াররা তাদের কাজ দেওয়ার জন্য পছন্দ করে থাকেন। এখানেও প্রায় সবধরনের কাজ পাওয়া যায়, কিছু কিছু কাজ একটু কম আসে তবুও মন্দ না। নতুনদের জন্য এটা উপযোগী এজন্য কারন ওডেস্কে একটি কাজ আসার পরেই দেখা যায় আপনি একটা লেটার লেখার আগেই একমিনিটের ব্যাবধানে ২০ থেকে ২৫ টা Bid লেটার জমা হয়ে যায়, এক্ষেত্রে ইলান্সে তেমন কোনও কম্পিটিশন দেখা যায় না কয়েক ঘণ্টায় সর্বচ্চো ৩০ থেকে ৫০ টা Bid জমা হয়। সমস্যা হল এখানে একাউন্ট করতে গিয়ে অনেকে ভয়ে আবার অনেকে ঠিকমতো Phone verify এবং Skype video call সম্পন্ন করতে পারেননা এজন্য তাদেরকে হতাস হয়ে ফিরে আসতে হয়। তবুও আমি বলব নতুনদের জন্য ওডেস্ক থকে ইলান্স ভাল। একটু চেষ্টা করলে এই সমস্যা গুলো সমাধান করা সম্ভব। টেস্ট গুলো একটু বুঝে বুঝে দিতে পারলে একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল করা সম্ভব